ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০২ জুলাই ২০২০,   আষাঢ় ১৮ ১৪২৭,   ১১ জ্বিলকদ ১৪৪১

DinBodolBD
সর্বশেষ:
বৃষ্টির কারণে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের উদ্বোধণী ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে

ইসলাম সম্পর্কে জেনে আনন্দে আত্মহারা: নওমুসলিম ইমরান

প্রকাশিত: ১৯:৪৬, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯  

মুহাম্মদ ইমরান: আলহামদুলিল্লাহ! দয়ালু আল্লাহর অনুগ্রহে খুব ভালো আছি। এখন নেজামুদ্দীন থেকে আসলাম। আমি মূলত চিল্লায় গিয়েছিলাম। চিল্লা থেকে ফিরেছি গতকাল। ফোন করে জানতে পারলাম হজরত দিল্লি আছেন। মনে মনে ভাবলাম, বেশ তো, এ যেন লটারি পেয়ে যাওয়ার মতো ব্যাপার। হজরতের সঙ্গে কিছু পরামর্শ ছিল। তাই ছুটে এসেছি।

আহমদ আওয়াহ: আব্বুর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে? কথাবার্তা শেষ হয়েছে না আরো বাকি আছে?

মুহাম্মদ ইমরান: আলহামদুলিল্লাহ! একেবারে স্বস্তির সঙ্গে কথা হয়েছে। হজরত আমাকে তার সঙ্গে করে হরিয়ানা নিয়ে গিয়েছিলেন। গাড়িতে দীর্ঘ সময় নিরিবিলি কথাবার্তা বলেছি। যেসব কথা বলবো বলে ভাবিনি সেগুলোও ধীরে ধীরে মনে পড়েছে এবং বলেছি।

আহমদ আওয়াহ: হ্যাঁ। আব্বুর সঙ্গে নিরিবিলি সাক্ষাৎ ও কথা বলার এটাই সবচেয়ে সহজ পন্থা। সত্যি কথা কী আমরা পরিবারের লোকেরাও আব্বুর সঙ্গে নিরিবিলি কথা বলার সুযোগ পাই না। গাড়িতে যখন দিল্লি থেকে ফুলাত যাই অথবা ফুলাত থেকে দিল্লি আসি তখনি কেবল স্বস্তির সঙ্গে আলোচনা করতে পারি। আচ্ছা এবার বলুন আপনার চিল্লা কোথায় কাটল? আপনার সঙ্গে যারা ছিলেন তারা কোথাকার মানুষ?

মুহাম্মদ ইমরান: আমাদের চিল্লা কেটেছে ভূপালে। জামাতের সকল সঙ্গী মূলত এক অঞ্চলের ছিলেন না, বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গীদের নিয়ে তৈরি হয়েছিল জামাতটি। আমির সাহেব ছিলেন আজমগড়ের মানুষ। শিবলি কলেজের প্রফেসর। অত্যন্ত মায়াবি স্বভাবের মানুষ। এই চল্লিশ দিনে আলহামদুলিল্লাহ! আমার অনেক উপকার হয়েছে। অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। জামাতের ক’জন সঙ্গী ছিলেন অত্যন্ত গরম স্বভাবের। কথায় কথায় একেবারে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ হয়ে উঠতেন। তাদের মধ্যে দুজনকে তো আগ্নেয়গিরি বলা যায়। কিন্তু কী বলবো। আমির সাহেব সত্যি এক অবাককরা মানুষ। যেমন সাহসী তেমন ধৈর্যশীল। তার কলজেটা যেন এক মহা সমুদ্র।