শপথগ্রহণ কি তড়িঘড়ি?

নিউজ ডেস্ক || দিন বদল বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ বিকাল ০৪:১৩, রবিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৪, ৩০ পৌষ ১৪৩০
ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

শপথ নেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন সংসদ সদস্যদের কাঁধে দায়িত্বভার পড়ে। এক্ষেত্রে আগের সংসদ নিজে নিজেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কেননা এমপি পদের জন্য সংবিধান অনুসারে শপথের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন শেখ হাসিনা। এরই মধ্যে শপথ নিয়েছেন নবনির্বাচিত এমপিরা। আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরাও বুঝে পেয়েছেন নিজ নিজ মন্ত্রণালয়। নির্বাচন শেষে মাত্র পাঁচদিনেই নতুন সরকার গঠন নিয়ে চলছে আলোচনা। এবারের শপথগ্রহণ অনেকেটা তড়িঘড়ি হয়েছে জানিয়ে অপপ্রচারও চালাচ্ছে বিভিন্ন মহল। তবে আগেভাগে শপথ নিতে সাংবিধানিক কোনো বাধা নেই বলে মত দিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা।

সংবিধানের বিধান মতে, শপথ নেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নতুন সংসদ সদস্যদের কাঁধে দায়িত্বভার পড়ে। এক্ষেত্রে আগের সংসদ নিজে নিজেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কেননা এমপি পদের জন্য সংবিধান অনুসারে শপথের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যদিও সংসদের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নবনির্বাচিতরা কার্যভার নিতে পারবেন না বলে আরেকটি অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে। সেই হিসাবে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকবে একাদশ সংসদের মেয়াদ।

আইন বিশ্লেষকরা বলছেন, সংবিধানে সুস্পষ্ট কোনো কথা বলা না হলেও সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণের পর আইনি কোনো জটিলতা নেই। কেননা জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশের তিনদিনের মধ্যে শপথ পড়ানোর এখতিয়ার রয়েছে স্পিকারের। আর শপথ নিলেই দায়িত্ব নিয়েছেন বলে গণ্য হয়। এতে আগের সংসদ ভাঙা বা মেয়াদ পর্যন্ত অপেক্ষারও প্রয়োজন পড়ে না। এছাড়া রাষ্ট্রপতি চাইলে বর্তমান সংসদের মেয়াদের আগেও অধিবেশন ডাকতে পারবেন। অর্থাৎ তড়িঘড়ি নয়; সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই এবারের সবকিছু করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তারা।

দিনবদলবিডি/Mamun

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়