আবারও সক্রিয় ইইউ-মার্কিন রাষ্ট্রদূত:গন্তব্য ভিন্ন!

নিউজ ডেস্ক || দিন বদল বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ দুপুর ০২:৫১, শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৪, ৫ মাঘ ১৪৩০
ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

সাত জানুয়ারির নির্বাচন শেষ হতেই নতুন সরকারকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন দেশে। কিন্তু অনেকটা নিষ্ক্রিয় বা আড়ালে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা। তাদের নীরবতায় জনমনে জেগেছিল নানান প্রশ্ন। ‘বাংলাদেশে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে’ এমন খবরও চাউর হয়েছিল।

কিছুদিনের বিরতির পর বাংলাদেশে ফের সক্রিয় মার্কিন হয়েছেন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। আনাগোনা বাড়িয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন তথা ইইউ’ দূত চার্লস হুইটলিও। তবে দ্বাদশ নির্বাচন নিয়ে সবচেয়ে বেশি ‘মাথা ঘামানো’ দেশ দুটিরই গন্তব্য এবার ভিন্ন। মূলত দুই রাষ্ট্রদূতই বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে ‘মরিয়া’ হয়ে উঠেছেন।

সাত জানুয়ারির নির্বাচন শেষ হতেই নতুন সরকারকে স্বাগত জানিয়েছে বিভিন্ন দেশে। কিন্তু অনেকটা নিষ্ক্রিয় বা আড়ালে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা। তাদের নীরবতায় জনমনে জেগেছিল নানান প্রশ্ন। ‘বাংলাদেশে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে’ এমন খবরও চাউর হয়েছিল।

তবে কয়েকদিনের মধ্যেই সব জল্পনা-কল্পনায় পানি ঢেলে দিয়েছেন দুই গুরুত্বপূর্ণ কূটনীতিক। সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ জানিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন তারা। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেয়ার বার্তা নিয়ে ১৭ জানুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যান পিটার হাস। ডাক ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সঙ্গে বৈঠকেও একই বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি।

দীর্ঘদিনের সহযোগিতার সম্পর্ক ধরে রাখতে সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ছুটে গেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ দূত চার্লস হুইটলি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে তার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এই বৈঠকে নতুন পার্টনারশিপ কো-অপারেশন অ্যাগ্রিমেন্টে সই প্রসঙ্গসহ গুরুত্বপূর্ণ একাধিক বিষয় উঠে আসে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র।

কূটনীতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন পরবর্তী বাংলাদেশকে কয়েকদিন নিবিড় পর্যবেক্ষণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা মোড়লরা। এজন্য ভোটের পরিবেশ-ফলাফল নিয়ে বিশ্বের প্রায় সব দেশ তাৎক্ষণিক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানালেও কিছুটা ‘অসন্তোষের’ কথা জানিয়েছিলেন তারা। তবে তাদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত না হওয়ায় এখন বাংলাদেশের সঙ্গে থাকা সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে এসব দেশের রাষ্ট্রদূতরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও মনে করছেন তারা।

দিনবদলবিডি/Nasim

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়