মিয়ানমারের পরিস্থিতি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের অনুকূল নয় : জাতিসংঘ

নিউজ ডেস্ক || দিন বদল বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ দুপুর ১২:৩২, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪, ৯ মাঘ ১৪৩০
ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থী নিয়ে হিমসিম খাচ্ছে বাংলাদেশ। ১২ লাখের অধিক রোহিঙ্গা প্রায় ৭ বছর যাবত বাংলাদেশের কক্সবাজার শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছে। নিজ বসতভিটায় ফিরতে না পারার হতাশা ও ক্ষোভে শরণার্থী শিবিরের অনেকে ক্রমান্বয়ে হিংস্র হয়ে উঠছে।

জাতিসংঘ সদর দফতরে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানিয়েছেন, মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের অনুকূলে নেই, মর্যাদার সঙ্গে নিরাপদে ফেরার মত পরিবেশও তৈরি হয়নি দেশটিতে।

২২ জানুয়ারি স্থানীয় সময় দুপুরে নিউইয়র্কে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন তিনি।

স্টিফেন ডুজারিককে প্রশ্ন করা হয়, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থী নিয়ে হিমসিম খাচ্ছে বাংলাদেশ। ১২ লাখের অধিক রোহিঙ্গা প্রায় ৭ বছর যাবত বাংলাদেশের কক্সবাজার শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছে। নিজ বসতভিটায় ফিরতে না পারার হতাশা ও ক্ষোভে শরণার্থী শিবিরের অনেকে ক্রমান্বয়ে হিংস্র হয়ে উঠছে। এ অবস্থা দীর্ঘতর হলে তা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি শরণার্থীদের জন্য বরাদ্দের পরিমাণও কমানো হয়েছে। এমন একটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের কোনও পরিকল্পনা আছে কি?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, প্রথমত কারো ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অবলম্বন করাও সমীচিন নয়। এটা তাদের সইচ্ছাই মর্যাদাপূর্ণ ভাবে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হতে হবে। আর এটা তো পরিষ্কার যে, মিয়ানমারে বর্তমানে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ নেই। 

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের যারা আশ্রয় দিয়েছে, উদারতা প্রদর্শন করেছে শরণার্থীদের আতিথেয়তায়, সেই কক্সবাজার এলাকার মানুষের সাঙ্গে আমাদের সকলের অর্থাৎ মানিবিকতাসম্পন্ন বিশ্বের সংহতি প্রকাশ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। শরণার্থীদের জন্য তহবিলের পরিমাণও বাড়ানো দরকার।

দিনবদলবিডি/Hossain

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়