শরীফ থেকে শরীফার গল্প :ট্রান্স জেন্ডার ও থার্ড জেন্ডারের পার্থক্য না বুঝেই প্রতিবাদ কেন?

দিন বদল বাংলাদেশ ডেস্ক || দিন বদল বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ সন্ধ্যা ০৭:৫৪, বুধবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪, ১০ মাঘ ১৪৩০
ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

শরীফ থেকে শরীফার গল্প সম্প্রতি ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক একটি অনুষ্ঠানের স্টেজে প্রকাশ্যে এই পাতাটি ছিঁড়ে প্রতিবাদ করেন। তার দেখাদেশি এক শ্রেনীর মানুষ কোনকিছু না বুঝেই বইয়ের পাতা ছিড়তে শুরু করেন। গল্পের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডার বা লিঙ্গান্তরকে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত করে। কেউ কেউ একে সমকামীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন। কিন্তু এই গল্পের কোথাও সমকামী, অথবা ট্রান্সজেন্ডার শব্দটিরও উল্লেখ নেই। শুধুই থার্ড জেন্ডার কথাটির উল্লেখ রয়েছে। 

জাতীয় পাঠ্যপুস্তকের অধীনে সপ্তম শ্রেনীতে ‘শরীফ থেকে শরীফার গল্প’ নামের একটি গল্প রয়েছে। মূলত বাংলাদেশের থার্ড জেন্ডার বা হিজড়া সম্প্রদায়ের প্রতি সহানুভূতিশীল করতেই এই গল্প সপ্তম শ্রেনীতে পড়ানো হচ্ছে।

তবে সম্প্রতি ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক একটি অনুষ্ঠানের স্টেজে প্রকাশ্যে এই পাতাটি ছিঁড়ে প্রতিবাদ করেন। তার দেখাদেশি এক শ্রেনীর মানুষ কোনকিছু না বুঝেই বইয়ের পাতা ছিড়তে শুরু করেন।

তাদের অভিযোগ; এই গল্পের মাধ্যমে ট্রান্সজেন্ডার বা লিঙ্গান্তরকে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যা মুসলিম সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত করে। কেউ কেউ একে সমকামীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন। কিন্তু এই গল্পের কোথাও সমকামী, অথবা ট্রান্সজেন্ডার শব্দটিরও উল্লেখ নেই। শুধুই থার্ড জেন্ডার কথাটির উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু ট্রান্স জেন্ডার ও থার্ড জেন্ডারের পার্থক্য না বুঝেই এক শ্রেনীর মানুষ এর প্রতিবাদে নেমেছে।

প্রশ্ন হচ্ছে দেশের স্বল্প শিক্ষিত মানুষ বিষয়টি নাও বুঝতে পারেন। কিন্তু একজন শিক্ষক কেন বিষয়টি বুঝলেন না? একজন শিক্ষকের এই বিষয়টি না বোঝার কথা নয়। কিন্তু ধর্মকে ভুলভাবে প্রয়োগের মাধ্যমে সহজেই ভাইরাল হওয়ার লোভে এই শিক্ষক প্রতিবাদের সুত্রপাত করেছেন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।কেননা ইসলাম  ট্রান্স জেন্ডার বা রূপান্তরিত লিঙ্গকে অনুৎসাহিত করেছে কিন্তু থার্ড জেন্ডার বা হিজড়াদের প্রতি সহানুভূতিশীল হবার শিক্ষা দিয়েছে।

দিনবদলবিডি/Hossain

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়