আইএমএফের শর্ত পূরণ পরীক্ষায় পাস করেছে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক || দিন বদল বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ বিকাল ০৪:২৮, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ২৫ মাঘ ১৪৩০
ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

'আইএমএফ যে লক্ষ্যমাত্রাগুলো দিয়েছে, আমরা সেগুলো ভালো করছি। লক্ষ্যমাত্রার বেশিরভাগই আমরা বাস্তবায়ন করেছি। এখন মার্চ মাসে তারা আবার আসবে এবং দেখবে।'

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণের পরীক্ষায় পাশ করেছে বাংলাদেশ। তাই সময়মতো ঋণের তৃতীয় কিস্তি পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আইএমএফের আবাসিক প্রতিনিধি জায়েন্দু দের সাথে বৈঠক শেষে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, আইএমএফ যে লক্ষ্যমাত্রাগুলো দিয়েছে, আমরা সেগুলো ভালো করছি। লক্ষ্যমাত্রার বেশিরভাগই আমরা বাস্তবায়ন করেছি। এখন মার্চ মাসে তারা আবার আসবে এবং দেখবে। এটি তো চলতেই থাকে। আমার তো মনে হচ্ছে, দ্বিতীয় ধাপটাও আমরা পূরণ করব।

রিজার্ভ ও রাজস্ব আয়ের ঘাটতি নিয়ে কথা হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ, বলেছে ওরা যে লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছিল, সেগুলো মোটামুটি পূরণ হয়েছে। সুতরাং, দেখা যাক কি হয়।

তারা কি নতুন কোনো বাজেট দেবে? এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সংবাদকর্মীদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা পরীক্ষায় পাস করলে তারা পরিস্থিতি কেমন আছে, তা তারা নতুন করে দেখবে। এখন তো পরিস্থিতি ভালো। মানে আমরা পরীক্ষায় পাস করেছি।

তৃতীয় কিস্তি আসার বিষয়ে আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, চলমান পরীক্ষাগুলো পাস করতে হবে। তাহলেই সেটি পাওয়া যাবে।

পরিস্থিতি ভালো মনে হচ্ছে কেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ভালো বলছি, এটিই তো পজিটিভ নোট। ভালো না হলে কেন ভালো বলব। আমি যদি ফেইল করি তাহলে কি বলব পাস করে গেছি।

প্রসঙ্গত, গত বছরের জানুয়ারিতে মোট ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন দেয় আইএমএফ। ঋণ অনুমোদনের পরপরই ২ ফেব্রুয়ারি প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার ছাড় দেয় সংস্থাটি। এরপর (১৫ ডিসেম্বর) দেশের রিজার্ভে যোগ হয় আইএমএফের দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ৯৮ লাখ ডলার।

এসময় এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, দুর্বল ব্যাংকগুলোকে ভালো ব্যাংকের সাথে একীভূত করা যায়। এই প্রাকটিস সব দেশে আছে। এক্ষেত্রে সময় দিতে হবে। তবে এখনো তেমন সিদ্ধান্ত নেয়া কিংবা এটি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎপরতা থাকলেও এটি সময় সাপেক্ষ। অর্থ মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে এখনো উদ্যোগ নেয়নি।

এরপর কানাডার রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী। সেসময় বলেন, দেশটি থেকে ক্যানোলা তেল আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক কমানোসহ বিনিয়োগ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

দিনবদলবিডি/Hossain

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়