মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের অবাধ চলাচল স্থগিতের সুপারিশ

নিউজ ডেস্ক || দিন বদল বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ বিকাল ০৪:৩৫, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ২৫ মাঘ ১৪৩০
ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

মিয়ানমারে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। তাই সীমান্তবর্তী এলাকায় এই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া রোধে উভয় দেশের মধ্যে অবাধ চলাচল ব্যবস্থা অবিলম্বে স্থগিত করার সুপারিশ করা হয়েছে।

মিয়ানমারের সঙ্গে ভারতের অবাধ চলাচল ব্যবস্থা স্থগিত করার সুপারিশ করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মিয়ানমারে জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘর্ষ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। তাই সীমান্তবর্তী এলাকায় এই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া রোধে উভয় দেশের মধ্যে অবাধ চলাচল ব্যবস্থা অবিলম্বে স্থগিত করার সুপারিশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এই সুপারিশ করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।

অবাধ চলাচল ব্যবস্থার আওতায় উভয় দেশের মানুষ একে অপরের সীমান্তের কয়েক কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারেন।

২০২১ সালে মিয়ানমারে একটি সামরিক অভ্যুত্থান হয়। তখন ক্ষমতাসীন নেত্রী অং সান সুচিকে সরিয়ে দেশটির ক্ষমতা দখল করে সামরিক বাহিনী। তখন থেকেই সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার শুরু করে তারা। ফলে সুন্দর ও স্বাভাবিক জীবনের আশায় মিয়ানমার ছেড়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালাতে শুরু করে তারা। তখন শত শত বেসামরিক নাগরিক এবং সেনা ভারতীয় রাজ্যেও পালিয়ে এসেছিল।

ভারতের সীমন্তবর্তী রাজ্যে দুই দেশের সম্প্রদায়ের মধ্যে জাতিগত এবং পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। তাই মিয়ানমারের সাম্প্রতিক এই উত্তেজনা ভারতে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। তাই সম্ভাব্য সংকট এড়াতে অবিলম্বে সীমান্তে অবাধ চলাচল বন্ধ করাটাই হতে পারে সহজ সমাধান।

মিয়ানমারের সামরিক শাসন জারির পর থেকেই সেনাদের সঙ্গে বিদ্রোহীদের বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে থাকে। তবে সম্প্রতি এই সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। সামরিক সেনাদের বেশকিছু ঘাঁটিও দখলে নিয়েছে সশস্ত্র বিদ্রোহীরা। দেশটির অস্থিতিশীল এই পরিস্থিতির মধ্যেই গত সপ্তাহে মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে জারি করা জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও বাড়িয়েছে সামরিক শাসকরা।

দিনবদলবিডি/Hossain

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়