পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যেতে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

দিনবদলবিডি ডেস্ক || দিনবদলবিডি.কম

প্রকাশিত: সকাল ০৯:৫১, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২, ১৬ আষাঢ়
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যেতে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

ফাইল ফটো

সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থাপনা স্বপ্নের পদ্মা সেতু। সেতুটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে দুই পাড়ের মানুষেরা মেতেছে উৎসবের আমেজে।

আগামী শনিবার (২৫ জুন) উদ্বোধন উপলক্ষে মাওয়ায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আমন্ত্রিত অতিথিদের ঢাকা থেকে মাওয়াগামী গমনাগমন রুট ব্যবহারে বেশ কিছু নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। অনুষ্ঠানস্থলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পৌঁছানোর জন্যে পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে রাজধানী থেকে যাত্রা শুরুর বিশেষ অনুরোধও জানিয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপির নির্দেশনাগুলো হলো

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নিউমার্কেট এলাকা থেকে যেতে হবে : ঢাকা মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন চাঁনখারপুল (নিমতলী) মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারে প্রবেশমুখ-যাত্রাবাড়ী অংশের বাম লেন-ধোলাইপাড় টোলপ্লাজা-ধোলাইপাড় ক্রসিং-জুরাইন ফ্লাইওভার-বুড়িগঙ্গা সেতু-মাওয়া এক্সপ্রেস।

জিরো পয়েন্ট (বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, গুলিস্তান) থেকে যেতে হবে : জিরো পয়েন্ট-গুলিস্তান আহাদ বক্স সংলগ্ন মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার প্রবেশ মুখ-যাত্রাবাড়ী অংশের বাম লেন-ধোলাইপাড় টোলপ্লাজা-ধোলাইপাড় ক্রসিং-জুরাইন ফ্লাইওভার-বুড়িগঙ্গা সেতু-মাওয়া এক্সপ্রেস।

মতিঝিল শাপলা চত্বর ও ইত্তেফাক মোড় থেকে যেতে হবে : মতিঝিল শাপলা চত্বর-ইত্তেফাক ক্রসিং হাটখোলা মোড় সংলগ্ন মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের প্রবেশ মুখ-যাত্রাবাড়ী অংশের বাম লেন-ধোলাইপাড় টোলপ্লাজা-ধোলাইপাড় ক্রসিং-জুরাইন ফ্লাইওভার-বুড়িগঙ্গা সেতু-মাওয়া এক্সপ্রেস।

কমলাপুর ও টিটিপাড়া থেকে যেতে হবে : কমলাপুর, টিটিপাড়া ক্রসিং-গোলাপবাগ মোড়-ইনগেট সংলগ্ন মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের প্রবেশ মুখ-যাত্রাবাড়ী অংশের বাম লেন-ধোলাইপাড় টোলপ্লাজা-ধোলাইপাড় ক্রসিং-জুরাইন ফ্লাইওভার-বুড়িগঙ্গা সেতু-মাওয়া এক্সপ্রেস।

সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্থাপনা পদ্মা সেতু। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। দ্বিতল এই সেতুর এক অংশ পদ্মা নদীর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্ত এবং অপর অংশ নদীর শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে যুক্ত। একই সঙ্গে ট্রেন ও গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে এ সেতুতে।

চার লেন বিশিষ্ট ৭২ ফুট প্রস্থের এ সেতুর নিচতলায় রয়েছে রেল লাইন। এর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মূল সেতুর পাইলিং ও নদীশাসনের কাজ উদ্বোধন করেন।

এরপর একে একে সব ধাপ পেরিয়ে পদ্মার বুকে ৪২টি পিলারের ওপর দৃশ্যমান হয়ে ওঠে স্বপ্নের সেতু। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সেতু চালু হলে বাংলাদেশের জিডিপি ১.২ থেকে ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। আগামী ২৫ জুন বহুল কাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দিনবদলবিডি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়