বিয়েতে দাওয়াত না পাওয়ায় স্ত্রী-শাশুড়িসহ ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা

দিনবদলবিডি ডেস্ক || দিনবদলবিডি.কম

প্রকাশিত: সকাল ১১:২৮, শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০২২, ১৮ আষাঢ়

শ্যালকের বিয়েতে দাওয়াত পাননি। তাই ক্ষোভে শ্বশুর বাড়ি গিয়ে স্ত্রী-শাশুড়িসহ তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন মিন্টু মিয়া নামে এক ব্যক্তি।

বৃহস্পতিবার রাতে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের পটল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন- ওই গ্রামের মনু মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (৫০), তার মেয়ে মনিরা বেগম (৩৫) এবং মনিরার চাচা মাহমুদ (৬৫)।

এ সময় স্বজনদের বাঁচাতে গিয়ে মনু মিয়া তার ছেলে শাহাদত হোসেন ও নিহত মাহমুদের স্ত্রী ছাহেরা বেগম (৫২) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় রাতভর অভিযান চালিয়ে শুক্রবার সকালে মিন্টুকেগ্রেপ্তার করে পুলিশ। শ্রীবরদী থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ঘাতক মিন্টু গারামারা এলাকার হাইবুদ্দিনের ছেলে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রীবরদী গেরামারা গ্রামের হাইমুদ্দিনের ছেলে পেশায় হাঁস-মুরগি বিক্রেতা মিন্টু মিয়ার (৪০) সঙ্গে প্রায় আট বছর আগে মনিরা বেগমের বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে। সাত-আটদিন আগে মনিরার ভাই শাহাদতের বিয়ে হয়। ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে মেয়ের জামাইকে দাওয়াত করেননি মনু মিয়া। এ নিয়ে ভীষণ রেগে যান মিন্টু মিয়া। রাগে-ক্ষোভে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি বোরকা পড়ে ধারাল দা নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে প্রবেশ করেন। বাড়িতে ঢুকেই তিনি শাশুড়িকে কোপাতে থাকেন। তার চিৎকার শুনে মনিরা এগিয়ে এলে তাকেও কোপান মিন্টু। এরপর মনিরার চাচা মাহমুদকেও আক্রমণ করেন তিনি। বাড়ির লোকজন বাধা দিতে এলে তাদের ওপর হামলা করে পালিয়ে যান মিন্টু।

তাদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে সবাইকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং বাকিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

দিনবদলবিডি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়