বৃহস্পতিবার

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১


৮ আশ্বিন ১৪২৮,

১৩ সফর ১৪৪৩

দিন বদল বাংলাদেশ

ছিনতাইয়ের মিথ্যা অভিযোগ

১০ লাখ টাকা হজম হলো না মুন্নার

স্টাফ রিপোর্টার || দিনবদলবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:৫৩, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১   আপডেট: ২২:০৫, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
১০ লাখ টাকা হজম হলো না মুন্নার

ছবি- দিনবদলবিডি.কম

ছিনতাইকৃত ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ২৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ  মাদক ব্যবসায়ী চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে রাজধানীর পল্লবী থানা পুলিশ । গতকাল সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে  ব্র্যাক ব্যাংক পল্লবী শাখা থেকে মনির হোসেন মুন্না ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা উত্তোলন করে নিয়ে যাওয়ার সময় সেকশন-৬, মিল্কভিটা মার্কেটের পিছনের রাস্তায় ৪/৫জন ছিনতাইকারী পিস্তল ঠেকিয়ে ওই টাকা ছিনিয়ে  নিয়ে যায় বলে থানায় অভিযোগ করেন। 

মৌখিক অভিযোগের সূত্রে পল্লবী থানার এসআই তারিকুর রহমান শুভ অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব  পান। এসআই শুভ তাৎক্ষণিক মুন্নাকে সঙ্গে নিয়ে তার ভাষ্যমতে ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে এবং আশপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার কোনো সত্যতা না পেয়ে এবার মুন্নাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। কিন্তু মুন্না কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেন নাই।

পরবর্তীতে জানা যায়, যে টাকা ছিনতাইয়ের কথা মনির হোসেন মুন্না বলেছেন, তা মূলত অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী ফকরুল আলম রিয়ার ছিল। মোজাম্মেল হোসেন জনি পল্লবী সেকশন-৬, ঢাকার নিকট ওই টাকা পাওনা ছিল ফখরুল আলম রিয়ার। 

পাওনা টাকা চাইলে সে ওই টাকার চেক দিতে রাজি হয় এবং টাকা নেওয়ার জন্য লোক পাঠাতে বলে। তখন ফকরুল আলম রিয়ার ফোন করে তার ভাই দিদারুল আলম মজুমদারকে তার বন্ধুর কাছ থেকে টাকা আনার জন্য বলে। দিদারুল অসুস্থ থাকায় তার বন্ধু মনির হোসেন মুন্নাকে জনির বাসায় গিয়ে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকার একটি চেক আনার জন্য বলেন। 

তার বাসায় গিয়ে মুন্নুা চেক সংগ্রহ করে বিকালে চেকের টাকা তুললেও মোবাইলে ফোনে দিদারকে মিথ্যা ছিনতাইয়ের ঘটনা সাজিয়ে বলে।

এসআই শুভর কৌশলি জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না নিজেই ওই টাকা আত্মসাৎ করার কথা স্বীকার করেন। তখন এসআই শুভ এবং এএসআই ফয়সাল সঙ্গীয় ৩/৪ জন ফোর্স ও আসামি মুন্নাসহ অভিযান চালিয়ে পল্লবী থানাধীন সেকশন-৬, ব্লক- সি,রোড-২, বাসা-৯ এর নিচ তলায় আসামির ভাইয়ের ভাড়াটিয়ার রুমের ভিতর হতে ১০ লাখ ২০ হাজার টাকা উদ্ধার করে।

মুন্না তার বন্ধু দিদারুলের টাকা আত্মসাৎ করতে গিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনা সাজিয়ে থানায় এসে হাজির হন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশের কাছে ধরা খেয়ে যান মুন্না।

মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে পুলিশের নিকট মিথ্যা ছিনতাইয়ের তথ্য প্রদান করায় পল্লবী থানায় একটি মামলা হয়েছে। 
 

shiningbd/AK

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়