বুধবার

২৬ জানুয়ারি ২০২২


১৪ মাঘ ১৪২৮,

২০ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

দিন বদল বাংলাদেশ

আমিনবাজারে ৬ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা, ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক || দিনবদলবিডি.কম

প্রকাশিত: ১১:৩৭, ২ ডিসেম্বর ২০২১   আপডেট: ১২:০২, ২ ডিসেম্বর ২০২১
আমিনবাজারে ৬ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হত্যা, ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

ফাইল ফটো

নয় বছর আগে শবে বরাতের রাতে সাভারের আমিনবাজারে ছয় ছাত্রকে ডাকাত সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপরদিকে ১৯ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আজ (বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইসমত জাহান এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- আব্দুল মালেক, সাঈদ মেম্বার, আব্দুর রশিদ, ইসমাইল হোসেন রেপু, জমছের আলী, মীর হোসেন, মজিবুর রহমান, আনোয়ার হোসেন, রজ্জব আলী, আলম, মোহাম্মদ রানা, আব্দুল হানিফ, আসলাম মিয়া। 

যাবজ্জীবন প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- শাহিন আহমেদ, ফরিদ খান, রাজিব হোসেন, ওয়াসিম, সাফফার, সেলিম, মনির, আলমগীর, মোবারক হোসেন, অখিল খন্দকার, বসির, রুবেল, নুর ইসলাম, শাহাদাত হোসেন, টুটুল, মাসুদ, মোখলেস, তোটুল ও সাইফুল।

এর আগে গত ২২ নভেম্বর যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। এ মামলায় মোট ৬০ আসামির মধ্যে ৪৩ জন কারাগারে আটক রয়েছে। দুইজন মারা গেছে। একজন জামিনে আছেন। এছাড়া ১৪ জন পলাতক রয়েছে। 

২০১১ সালের ১৭ জুলাই শবেবরাতের রাতে সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশি গ্রামের কেবলাচরে ডাকাত সন্দেহে ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ভুক্তভোগীদের সঙ্গে থাকা বন্ধু আল আমিন গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর কথিত ডাকাতির অভিযোগে বেঁচে যাওয়া আল আমিনসহ নিহতদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একটি ডাকাতি মামলা করেন স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী আবদুল মালেক। ওই সময় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা গ্রামবাসীকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। 

মামলাটির তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৭ জানুয়ারি র‍্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিন আহমেদ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৩ সালের ৮ জুলাই ৬০ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ওই ঘটনায় বেঁচে যাওয়া একমাত্র ভিকটিম আল আমিনকে একই ঘটনায় করা ডাকাতি মামলা থেকে সেদিন অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর বিচার চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে মোট ৯২ সাক্ষীর মধ্যে ৫৫ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

এ মামলার ৬০ আসামি হলেন- ডাকাতি মামলার বাদী আব্দুল মালেক, সাঈদ, আব্দুর রশিদ, ইসমাইল হোসেন রেফু, নিহর ওরফে জমশের আলী, মীর হোসেন, মজিবর রহমান, কবির হোসেন, আনোয়ার হোসেন, রজুর আলী সোহাগ, আলম, রানা, আ. হালিম, ছাব্বির আহম্মেদ, আলমগীর, আনোয়ার হোসেন আনু, মোবারক হোসেন, অখিল খন্দকার, বশির, রুবেল, নূর ইসলাম, আনিস, সালেহ আহমেদ, শাহাদাত হোসেন রুবেল, টুটুল, অখিল, মাসুদ, নিজামউদ্দিন, মোখলেছ, কালাম, আফজাল, বাদশা মিয়া, তোতন, সাইফুল, রহিম, শাহজাহান, সুলতান, সোহাগ, লেমন, সায়মন, এনায়েত, হায়দার, খালেদ, ইমান আলী, দুলাল , আলম, আসলাম মিয়া, শাহীন আহমেদ, ফরিদ খান, রাজীব হোসেন, হাতকাটা রহিম, মো. ওয়াসিম, সেলিম মোল্লা, সানোয়ার হোসেন, শামসুল হক ওরফে শামচু মেম্বার, রাশেদ, সাইফুল, সাত্তার, সেলিম ও মনির। এদের মধ্যে প্রথম থেকে সাইফুল, সাত্তার, মোবারক, আফজাল, আলম, সেলিম ও মনির পলাতক রয়েছে। এছাড়া আসামি কবির হোসেন ও রাশেদ মারা গেছেন।

দিনবদলবিডি/কে

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়