শনিবার

২২ জানুয়ারি ২০২২


১০ মাঘ ১৪২৮,

১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

দিন বদল বাংলাদেশ

‘চাহিদাস্থলে পণ্য পৌঁছে যায় যে কোনোভাবে’- ছোটে অভিবাসনপ্রার্থীরাও

সম্পাদকীয় ডেস্ক || দিনবদলবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:৩২, ২৬ নভেম্বর ২০২১   আপডেট: ২০:৫০, ২৭ নভেম্বর ২০২১
‘চাহিদাস্থলে পণ্য পৌঁছে যায় যে কোনোভাবে’- ছোটে অভিবাসনপ্রার্থীরাও

ফাইল ছবি

গত বুধবার ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবে অভিবাসন প্রত্যাশী কমপক্ষে ২৭ ব্যক্তি অসহায় আর নির্মম মৃত্যুর শিকার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) এই সংবাদ বিবিসি, আলজাজিরা, রয়টার্স, সিএননসহ দুনিয়ার প্রধান সব সংবাদ মাধ্যমেই গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ পেয়েছে। এর আগে অবশ্য এই নৌকাডুবির ঘটনায় ৩১ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানিয়েছিল ফ্রান্স। পরে মৃতের সংখ্যা সংশোধন করে ২৭ জন বলে নিশ্চিত করে ফরাসিরা। 

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মূলত ছোট ডিঙ্গি নৌকায় করে মাত্রাতিরিক্ত যাত্রী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার সময় সেটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং একপর্যায়ে ডুবে যায়। স্থানীয় জেলেরা জানিয়েছে, অন্যদিনের তুলনায় বুধবার যুক্তরাজ্য-ফ্রান্সকে বিভক্তকারী ইংলিশ চ্যানেল নামক এই সাগরের পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত ছিল। আর এর সুবিধা নিতেই অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি মানুষ ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে অভৈধভাবে যুক্তরাজ্যে পৌঁছাতে চেষ্টা করে। পথিমধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এই বিপদ সংকুল নৌ-রুট অবৈধ পন্থায় পেরোতে জানের বাজি লাগায় প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ। এদের একটি অংশ যুক্তরাজ্যে পৌঁছাতে সফল হলেও বাকিদের পরিণতি হয় পানিতে ডুবে নির্মম মৃ্ত্যু।  

ক্যালাইসের কাছে ঘটা এই দুর্ঘটনাটিকে সাম্প্রতিক দিনগুলিতে ইংলিশ চ্যানেলে সবচেয়ে বড় হতাহতের ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। অন্তত ২৭ জনের মৃত্যুর পর ছোট নৌকায় বিশ্বের ব্যস্ততম সমুদ্রপথ পাড়ি দেওয়া অভিবাসীদের কীভাবে আটকানো যায় তা নিয়ে এখন ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে বিরোধ তুঙ্গে উঠেছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বাস্তুচ্যুত মানুষের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলার চেষ্টা করা মানব পাচারকারীদের থামাতে সম্ভাব্য সবকিছু করার প্রতিশ্রুতি দিলেও বুধবারের দুর্ঘটনা ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দুই দেশের নেতারা পরষ্পরকে দায়ী করছেন। ব্রিটিশ কর্মকর্তারা ফরাসি পুলিশের সঙ্গে যৌথ টহল পরিচালনায় ব্রিটিশ পুলিশ এবং সীমান্ত কর্মকর্তাদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ফ্রান্সের সমালোচনা করেছেন।

এর বিপরীতে, ফরাসি কর্মকর্তারা বলছেন যে ব্রিটেন সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। কারণ, বাস্তুচ্যুতদের পক্ষে চ্যানেল অতিক্রম করতে পারলে ওই দেশে বসবাস ও কাজ করা সহজ হবে। এমন ধারা অভিযোগ এবং পাল্টা অভিযোগের মধ্যে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতারা বৃহস্পতিবার ছোট নৌকার সাহায্যে ইংলিশ চ্যানেল পার হওয়া বাস্তুচ্যুত মানুষের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক করেন। ফরাসি প্রেসিডেন্টেরও ইইউ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার কথা রয়েছে। এত কিছুর মাঝে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল এত বিপুল সংখ্যক মানুষ কেন তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্রিটিশ চ্যানেল পার হচ্ছে এবং তারা কোথা থেকে আসছে? এছাড়া ফরাসি কর্মকর্তারাই বা সংকট বৃদ্ধির জন্য যুক্তরাজ্যকে দায়ী করতে চাইছে কেন?

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের তুলনায় এ বছর ছোট নৌকায় করে ইংলিশ চ্যানেল পার হওয়া মানুষের সংখ্যা এখন তিনগুণ বেড়েছে। প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুসারে, চলতি বছর এই রুটে ২৫ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি লোক ভ্রমণ করেছে। এমন নয় যে অবৈধ অভিবাসীরা শুধুমাত্র ফ্রান্সের নাগরিক, তাদের মধ্যে রয়েছে ইরান, ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান, কুয়েত, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, মিশর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইয়েমেন, গিনি, মালি ও চাদের (শাদ) নাগরিক। সোমালিয়া, নাইজার, লিবিয়া এবং আলবেনিয়াসহ অনেক দেশের মানুষও এই দলে অন্তর্ভুক্ত। এই নৌকাগুলির বেশিরভাগই ফ্রান্সের উত্তর উপকূল থেকে ক্যালাইস এবং ডানকার্কে যাত্রা করে থাকে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই মানুষগুলো কেন নিশ্চিত নির্মম মৃত্যুর ঝুঁকি মাথায় নিয়ে ইংলিশ চ্যানেল পার হতে চায়? এর মূলে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে যা কোনো ব্যক্তির জন্মভূমি (দেশ) বা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে। এদের মধ্যে কেউ কেউ যুদ্ধবিধ্বস্ত নিজ দেশের অনিশ্চিত ভবিষ্যত থেকে বাঁচতে, কেউ নিজ দেশে বাধ্যতামূলক সামরিক চাকরির জোয়াল এড়াতে আবার কেউ কেউ রাজনৈতিক বা অন্যান্য নিপীড়নের হাত থেকে পালাতে এই পথ ধরছেন। সর্বোপরি যুক্তরাজ্যে আসতে চাওয়ার পেছনে সবারই একটি সরল উদ্দেশ্য অন্য সব কারণগুলোর পেছনে থাকে, তা হচ্ছে একটি উন্নত জীবন নিশ্চিত করা ও দেশে ফেলে আসা স্বজনদের একটু আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা। এদের অনেকেরই আবার ইতোমধ্যেই যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী বন্ধুবান্ধব এবং স্বজন বা পরিবারের সদস্যরা রয়েছে৷

ছোট নৌকায় করে সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রাণ হারায় এসব মানুদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ। ইংলিশ চ্যানেলের ডোভার স্ট্রেট হল বিশ্বের ব্যস্ততম শিপিং লেন এবং ছোট নৌকায় মাত্রাতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে এটি অতিক্রম করতে চাওয়া বেশিরভাগের জন্যই নিশ্চিত মৃত্যুপথ যাত্রার শামিল। এই পথে যুক্তরাজ্যে পৌঁছাতে চেয়ে এখন পর্যন্ত যারা মারা গেছেন তাদের সঠিক পরিসংখ্যান অনুমান করাও কঠিন। চলতি মাসের শুরুতে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমের চেষ্টা করা তিন অভিবাসী মারা গিয়েছিল। আর গত অক্টোবরে ফ্রান্সের উপকূলে নৌকা ডুবে দুই শিশুসহ চারজন নিহত হয়।

২০২০ সালে ইনস্টিটিউট অফ রেস রিলেশন্স প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে যে ১৯৯৯ সাল থেকে প্রায় ৩০০ আশ্রয়প্রার্থী যানবাহন, টানেল এবং সমুদ্রের ওপর দিয়ে ইংলিশ চ্যানেল পার হওয়ার চেষ্টা করে মারা গেছে। যুক্তরাজ্যে চ্যানেল তীরবর্তী প্রশাসনিক অঞ্চলের এক কর্মকর্তা বলেছেন, বুধবারের ঘটনাটি ‘ব্রিটেনে যাওয়ার চেষ্টাকারী অভিবাসীদের সবচেয়ে বেদনাদায়ক দুর্ঘটনা’। রয়টার্সের তথ্য অনুসারে, বছরের শুরুর দিকে এই চ্যানেল অতিক্রম করার চেষ্টা করে মোট ডুবে মারা গেছে ১৪ জন।

তারপরও মানুষ চ্যালেঞ্জ নেয় অবৈধ পথে ‘জীবন-মৃত্যুর’ এই চ্যানেল পেরোনার। কারণ, যদি একটি নৌকা কোনোভাবে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করতে সক্ষম হয় তবে সেখানে রয়েছে নিজ দেশের চেয়ে রুটি-রুজির ভাল উৎস আর সর্বোপরি অপেক্ষাকৃত উন্নত জীবন যাপন! তবে বেশিরভাগ নৌকা বর্ডার ফোর্স বা আরএনএলআই দ্বারা আটকানো হয়, আর কয়েকটি নৌকা সফলভাবে (অর্থাৎ রক্ষীদের চোখ এড়িয়ে) উপকূলে পৌঁছায়। প্রায় সব অভিবাসীই আসার পর আশ্রয় চায় অর্থাৎ যুক্তরাজ্যে থেকে যেতে চায়। প্রচলিত আইন অনুযায়ী এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হতে অনেক সময় লাগতে পারে, কখনো কয়েক মাস এমনকি কয়েক বছরও লাগে। তখন অপেক্ষার পালা চলতে থাকে এবং অভিবাসন প্রত্যাশী মানুষ ক্যাম্পে জীবন কাটাতে বাধ্য হয়।

একটি সূত্র মতে, করোনা পরিস্থিতি ও অন্যান্য অর্থনৈতিক যোগফলের কারণে যুক্তরাজ্যে এখন অভিবাসন প্রত্যাশীদের কাজ করার মতো সুযোগ তৈরি হয়েছে অনেক। বিশেষ করে দেশটির বিশাল রেস্টুরেন্ট  ব্যবসা ও পরিবহন ক্ষেত্রে লোক সংকট রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য বৈধভাবে এই জনবলের চাহিদা মেটানো সময় সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং জটিলও। তাই, ‘চাহিদার স্থলে পণ্য পৌঁছে যায় যে কোনোভাবে’- সেই সূত্র মোতাবেক এতদঞ্চলের দেশগুলোর ব্যবসায়ী মহল এবং কখনো কখনো সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো কোনো মহলের ‘জেনেও না জানার ভান’ কৌশলের প্রভাবে অভিবাসন প্রত্যাশীদের এই ঢল বইতেই থাকে। তা যতই জেল, জরিমানা, দুর্ঘটনা আর মৃত্যুর ঝুঁকি থাকুক না কেন! অনন্যোপায় মানুষ, অভিবাসন প্রত্যাশী মানুষ ওই পথে যাবেই।

এতসব বিচার বিশ্লেষণের পেছনে ভূমধ্য সাগরপথে লিবিয়া থেকে ইতালি বা ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে ফ্রান্স থেকে যুক্তরাজ্য যেতে চাওয়া কিংবা মিয়ানমার সরকারের নির্যাতনে দেশছাড়া রোহিঙ্গাদের নৌপথে মালয়েশিয়া যেতে চায়ের পেছনে বাস্তবক্ষেত্রে অনেকগুলো অনিবার্য ‘কারণ’ তাদের আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে থাকে। এই সমস্যা বা কারণগুলোর সমাধান আছে ক্ষমতাবান দেশ, রাষ্ট্রনায়ক এবং জাতিসংঘের মতো সংস্থা, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী এনজিও এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হাতে। 

কিন্তু অধিকাংশ সময়েই এই পক্ষগুলোর কেউ কেউ ঘোলাপানিতে রাজনৈতিক মাছ শিকারে ব্যস্ত হয়ে পড়ে, কেউ কেউ নগদে নগদে লাভ-সুদের ডিম গুণতে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় অধিকাংশের ইতিবাচক উদ্যোগ আর অভিষ্ট বন্দরে পৌঁছাতে পারে না- যেমন প্রায়ই ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে ব্রিটেনের তটরেখায় পৌঁছাতে পারে না হতভাগ্য অভিবাসন প্রত্যাশিদের নৌকা। এক্ষেত্রে মিয়ানমার সরকারের নিপীড়ণ-নির্যাতন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর নিজদেশে ফেরানোর তৎপরতা বারবার বাধাগ্রস্থ হওয়ার প্রসঙ্গও উল্লেখ করতে হয়। 

পটভূমি কিছুটা ভিন্ন হলেও অভিবাসন প্রত্যাশায় জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে দেশ থেকে দেশে ছুটে চলা মানুষগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সমসস্যার মূল প্রেক্ষাপট কিন্তু এক। এইখানটায় যারা ভূমিকা রাখতে পারেন, সেই বড় শক্তিগুলোকে অর্থাৎ ক্ষমতাবান দেশ ও রাষ্ট্রনায়ক, জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক এনজিও এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে একাট্টা হতে হবে। 

এই ধরনের সমস্যা জিইয়ে রেখে কেউ কেউ হয়তো চোখ বুঁজে লোভের পায়রা গুণে গুণে সুখ পান খুব- কিন্তু আদপে সেইসব সুখ কখনোই দীর্ঘস্থায়ী নয়, সুদাসলে এর নির্মম করাল গ্রাস প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে আমাদের সবাইকেই রাহুগ্রস্থ করবেই করবে। এটাই প্রাকৃতিক বিধান। এর জলজ্যান্ত প্রমাণ হচ্ছে জলবায়ূ দূর্ষণ নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব সংস্থা ও নেতৃবৃন্দের ঔদাসীন্যের ক্রমশ ঘনায়মান ভয়াবহ পরিণতির সাম্প্রাতিক সংকেতগুলো। 

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দাবানল, ভূমিধ্বস, বন্যা, ঝড়-জলোচ্ছাস অনেকেরই নিদ্রাভঙ্গ করেছে চলমান সময়ে। কারণ, এতদিন শুধু প্রকৃতিক দুর্যোগে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছিল। কিন্তু এখন একের পর এক দাবানল, ঝড়-বন্যা-ভূমিধস বিশ্বের এমনসব অঞ্চলে ছোবল হানছে যা উন্নত দেশগুলোর অপরিনামদর্শী নেতারা কখনো কল্পনায়ও হয়তো আনেননি। 

সুতরাং, যে কোনো সমস্যা যার আন্তর্জাতিক একটা প্রেক্ষাপট থাকে, তাকে হেলায় অবহেলা করা উচিৎ নয় বিশ্ব মোড়লদের। তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যক্ষ ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ বা দেশগুলোর চিৎকার, হা-হুতাশ, অনুনয় এবং প্রাণ বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা দূর থেকে দেখে দেখে অবসর বিনোদনের সময় এখন আর নেই। আসুন, তৎপর হই যে কোনো আন্তর্জাতিক সংকট সমাধানে। তা হোক মাদক, মানবপাচার, শরণার্থী বা কভিড-১৯ এর মতো কোনো মহামারী- আমরা সবাই একজোট হবো মানবতার বৃহত্তর কল্যাণের জন্য, মানবজাতিকে ঠিক ঠিক মানবিক জাতি হিসেবে প্রমাণের জন্য হলেও তা দরকার। আসুন, আমরা মানবতার বুনিয়াদ কায়েম করি।
         

দিনবদলবিডি/আরকে

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়