বুধবার

২৬ জানুয়ারি ২০২২


১৩ মাঘ ১৪২৮,

২০ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

দিন বদল বাংলাদেশ

দাবার ঘুঁটির পুরনো এবং নয়া চালে জমজমাট নাসিক নির্বাচন

|| দিনবদলবিডি.কম

প্রকাশিত: ২৩:২১, ৯ জানুয়ারি ২০২২   আপডেট: ২০:৩৯, ১০ জানুয়ারি ২০২২
দাবার ঘুঁটির পুরনো এবং নয়া চালে জমজমাট নাসিক নির্বাচন

শামীম, আইভী ও তৈমুর -ফাইল ফটো

জমে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) নির্বাচন। প্রার্থীরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটে বেড়াচ্ছেন। এলাকার উন্নয়নে দিচ্ছেন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি। পোস্টা‌রে পোস্টা‌রে ছে‌য়ে গে‌ছে পু‌রো নির্বাচনী এলাকা। এর সঙ্গে চলছে হেভিওয়েট প্রার্থীদের বাক্যবানের মনস্তাত্ত্বিক লড়াই। সবকিছু ছাপিয়ে এখন সে প্রসঙ্গই আলোচনায়।

গতকাল শনিবার এক নির্বাচনী সভায় নামোল্লেখ না করেও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমানকে ‘গডফাদার’ অভিহিত করেছেন আওয়ামী লীগের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী। এর জবাবে আওয়ামী এমপি শামীম ওসমান কিছুটা শ্লেষ মেখে আইভীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, এতদিন ছিলাম ভাই, এখন আমি গডফাদার!

অর্থাৎ নাসিকের মেয়র পদে এবারের লড়াইটা হচ্ছে শীর্ষ দুই প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াত আইভী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকারের মাঝে। কিন্তু এখানে বাক্যবানে পরষ্পরকে জর্জরিত করতে চাচ্ছেন মেয়র আইভী আর এমপি শামীম।  

জবাবে আইভী বলেছেন, গডফাদার নাম আমি দেইনি, এটা তার গত ৩০ বছরের উপাধি। ওদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, শামীম ওসমানের পায়ে তৈমুর আলম খন্দকার হাঁটে না।

আইভী-শামীমের এই বেপরোয়া বাকযুদ্ধের পেছনের পটভূমি দেশবাসীর গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রবাসের বাংলাদেশিরাও অবগত। বেশ কয়েকবছর আগে টিভি টকশোতে তাদের দুজনের মহাউত্তেজিত কাজিয়া-ঝগড়া সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছিল। 

নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশেনের ২০১১ সালের প্রথম নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন সাবেক নারায়ণগঞ্জ পৌর মেয়র শ্রমিক নেতা আলী আহমদ চুনকার মেয়ে আইভী।

অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার তৈমুর আলম খন্দকার। আওয়ামী লীগের মেয়র মনোনয়ন পেয়েছিলেন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এম ওসমান আলীর নাতি এবং বাংলাদেশের প্রথম সংসদের সদস্য এ. কে. এম. শামসুজ্জোহার পুত্র শামীম ওসমান।    

যদিও দলের জাতীয় পর্যায়ের এবং নারায়ণগঞ্জের নেতাকর্মীদের বিরাট অংশ চেয়েছিলেন দল আইভীকেই মনোনয়ন দিক। নারায়ণগঞ্জের সাধারণ জনমানুষের কাছে অত্যধিক জনপ্রিয় পরলোকগত চুনকার মেয়ে আইভীকে তখন দ্বৈত শিবিরের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে। প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি নেতা তৈমুর, তিনি নারায়ণগঞ্জ তথা সিদ্ধিরগঞ্জ, বন্দর ও নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা নিয়ে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় পরিচিত মুখ এবং প্রভাবশালীও। আইভীর দ্বিতীয় এবং মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দেখা দেন তার বাবা এবং নিজের দল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া শামীম ওসমান।

ওই সময়ে আইভী-শামীমের দ্বন্দ্ব অনেকটাই ওপেন সিক্রেট ছিল। আইভীর পিতা চুনকার যে জনপ্রিয়তা তাতে ভর করে রাশিয়া থেকে ডাক্তার হয়ে আসা আইভীর নাসিক মেয়র হওয়াটা কোনো বিষয় ছিল না। অন্যদিকে নমিনেশন পাওয়া শামীম ওসমানও তার বাপ-দাদার পরিচিতি এবং নিজের অনুগত নেতাকর্মী ও ভোটারদের সমর্থনে কিস্তি মাত করতে পারতেন।

এমন পরিস্তিতিতে ফলত নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগ দৃশ্যত দুইভাগ হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগেও। তখন শীর্ষ নেতাদের মাঝেও দেখা দেয় দ্বিধাদ্বন্দ্ব। কেউ কেউ মনোনয়ন বঞ্চিতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিলেন। আর অনেকেই দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক নমিনেশন পাওয়া শামীমের পেছনেই ছাতা ধরেছিলেন।

বিএনপি প্রার্থী তৈমুরের জেন্টেলম্যানসুলভ ব্যক্তি ইমেজ এবং বিএনপি-জামায়াত ও আওয়ামী লীগ না-পসন্দ ভোটারদের ভোটের যোগ-বিয়োগ হিসেবে পর্যবেক্ষকদের সবাই এটা ধরে নিয়েছিলেন নাসিকের প্রথম মেয়র নির্বাচনে ত্রিমুখী কঠিন একটা লড়াই হবে আইভী-তৈমুর-শামীমের মাঝে। আবার আইভী-শামীমের দড়ি টানাটানিতে আওয়ামী ভোট ভাগ হয়ে তৈমুরের বিজয়ী হয়ে যাওয়াটাও স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলেন কেউ কেউ।

কিন্তু যখনি তৈমুর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া এবং বঞ্চিত দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর দ্বন্দ্বের সুযোগে ফাঁকতালে বাজি প্রায় মেরে দিচ্ছিলেন তখনি রাজনীতির দাবায় অনেকের মতে আত্মঘাতী আর জটিল এক চাল দেয় বিএনপি। নির্বাচানের আগের দিন দলীয় হাই কমান্ড নির্দেশ দেয় তৈমুর আলমকে বসে যেতে।

কেন?

কারণ শামীম বিদ্বেষ। বিএনপির (এবং জামায়াত) এই শামীম ওসমান বিদ্বেষের শেকড় অনেক গভীরে। জামায়াত বস গোলাম আযম ও বিএনপি চেয়ার পারসন খালেদা জিয়াকে নারায়ণগঞ্জে প্রবেশে বাধা দেওয়াসহ অনেক ঘটনা আছে এর পেছনে। তৈমুর এবং নারায়ণগঞ্জ বিএনপির নেতারা যেমন আইভী-শামীমের পরষ্পরের ভোট কাটাকাটির ফাঁক দিয়ে ধানের শীষের জিতে যাওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখছিল তেমনি বিএনপি হাই কমান্ড ভাবছিল এর উল্টো সম্ভাবনার কথাও।  তারা দেখছিল, আইভী-শামীম-তৈমুর ত্রিমুখী লড়াইয়ে যদি শামীম ওসমান কেল্লা ফতে করে দেন!

বিএনপি এবং জামায়াত কোনোমতেই মানতে পারছিল না বহুল আলোচিত এবং ঢাকা-চট্টগ্রামের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিটি মেয়র নির্বাচনে শামীম ওসমানের বাজি মারার সম্ভাবনাকে। তাই নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রাভঙ্গের মতো বিএনপি তাদের প্রার্থী তৈমুরকে একেবারে শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়াতে বলে।

এতে ফল হবে ভোটের বাজারে তৈমুরের তথা বিএনপি-জামায়াতের অনেক ভোট চলে আসবে আইভীর বাক্সে। কারণ, হার্ড বয়েল্ড বিএনপি জামায়াতের ওইসব ভোটাররা কোনোমতেই শামীম ওসমানকে ভোট দেবেন না।

তৈমুরের সরে দাঁড়ানোর খোশ-খবরটা অবশ্য ঘণ্টা কয়েক আগে আইভীকে ফোন করে বিএনপি সমর্থক একজন প্রভাবশালী সাংবাদিক জানিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি অবশ্য সরাসরি বলেননি কিছু। বলেছিলেন, আপনাকে একটা সুখবর দিতে পারি আজ রাতের মধ্যেই। আইভী ফোন পেয়েও কিছু বলেননি, তিনি মুখে তালা মেরেছিলেন কি হয় তা দেখার অপেক্ষায়। 

তো সেদিন গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরে তৈমুরের নিজ বাসার নিচের পার্কিং লটে তখন সাংবাদিকে সাংবাদিকে গিজ গিজ অবস্থা।

তৈমুর এলেন। এসে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক নিজের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিতে গিয়ে তিনি আবেগ সম্বরণ করতে পারলেন না, তার চোখ দিয়ে ঝরঝর করে নোনা জল গড়িয়ে পড়তে থাকলো।

বডি ল্যাংগুয়েজে বোঝা যাচ্ছিল তিনি কিছুতেই চাইছিলেন না নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে। তিনি চাইছিলেন নাসিকের প্রথম মেয়র হতে এবং এই সুযোগ তার হাতের কাছে মনে হচ্ছিল তার। কিন্তু এই চূড়ান্ত ক্ষণে তার চোখের পানিতে সব বিসর্জন দিতে হলো।   

কিন্তু তৈমুরের চোখের পানি সেদিন বিএনপি হাই কমান্ডের আরেকটি চাওয়াকে বাস্তব রূপ দেয়। শুধু শামীম ওসমান নয়, তৈমুর সরে গেলে হারবে আওয়ামী লীগও। একদিকে বিএনপি-জামায়াত থাকবে না, অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আইভীর কাছে হার হবে নৌকার শামীম ওসমানের। এই হার আওয়ামী লীগেরও হার যা বিএনপির জন্য বিরাট অর্থ বহন করে।  

ভোটের ফলাফলে দেখা যায় শামীম ওসমান প্রতিদ্বন্দ্বী আইভীর ধারে কাছেও নেই। আইভী তার নিকটতম আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শামীম ওসমানের চেয়ে এক লাখ এক হাজার ৩৪৩ ভোট বেশি পেয়েছিলেন৷

তো তৈমুরকে কাঁদিয়ে আইভীকে জিতিয়ে বিএনপি আওয়ামী লীগকে সাইজ করলো। কিন্তু সেই সাইজের আনন্দ বেশিদিন থাকলো না। কারণ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইভীকে ফের কাছে টেনে নিলেন। বোঝা গেল চালটা আসলে বিএনপি চালে নাই- তাদের হাতির কোনাকুনি চালের বিপক্ষে ঘোড়ার আরো জটিলতর চাল দিয়েছিল আওয়ামী লীগ।

এই কথার আরো প্রমাণ পাওয়া যায় যখন নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগ পরষ্পর দ্বন্দ্ব-বিরোধ ভুলে ঐক্যের ডাক দেয়। পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনে শামীম ওসমানকে নৌকার নমিনেশন দেওয়া হয় এবং তিনি এমপি হন।

এরপরের নাসিক নির্বাচনে তুলনামূলক দুর্বল প্রতিদ্বন্দ্বীকে (তৈমুরকে এবার মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি) সহজেই হারিয়ে আইভী ফের মেয়র হন। এবার অবশ্য আইভী আওয়ামী লীগের মনোনয়নেই লড়াই করেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নিজে শামীম ওসমানকে নির্দেশ দেন আইভীর পক্ষে কাজ করার জন্য।

কিন্তু এরপর শীতলক্ষ্যার পানি গড়িয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে ফের ময়লা আর বিভেদের পলি জমতে থাকে আইভী আর শামীমের মধ্যে। দুজনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের দুটি আলদা শিবির দাঁড়িয়ে যায় সেখানে যা এখনো বিদ্যমান।

তাদের মধ্যকার পুরনো দ্বেষ আর না-পসন্দি ভাব ফের জেগে উঠেছে। তৈমুর আলম স্বতন্ত্র হিসেবে দাঁড়িয়েছেন নৌকার আইভীর বিপক্ষে। বিএনপি দলগতভাবে নির্বাচনে অংশ না নিলেও দলের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা তৈমূর আলম খন্দকার নির্বাচন করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে, হাতি প্রতীকে।

এদিকে, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় জেলা আহ্বায়কের পদ থেকে তৈমুরকে অব্যাহতি দেয় বিএনপি। এরপর চেয়ার পারসনের উপদেষ্টা পদ থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

তবে এখানেও বিএনপির একটি কৌশল কাজ করছে বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকদের অনেকে। হোক স্বতন্ত্র, কিন্তু বিএনপির নেতা হিসেবে ভোটে লড়ে হারলে তা প্রকারান্তরে বিএনপির জন্যই লস প্রজেক্ট হবে। তাই, দল থেকে তাকে অব্যাহতি দিলে তিনি হবেন একজন খাঁটি স্বতন্ত্র প্রার্থী। তিনি হারলে তেমন কোনো সমস্যা নাই বিএনপির কিন্তু জিতলে বিরাট লাভ। তা হচ্ছে, স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে ক্ষমতায় থাকা নৌকার প্রার্থীর পরাজয়- এর সুবিধা অনেক।

ওদিকে শামীম ওসমান হয়তো এবার তার ২০১১ এর হারের প্রতিশোধ নেওয়ার একটা সুযোগ পেয়ে গেছেন মনে করছেন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আইভী এবং দলের শীর্ষ নেতাদের অনেকের কথায় বিষয়টি অকেটাই পরিষ্কার।

প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য অভিযোগ, শামীম ওসমান হয়তো আইভীকে হারাতে কলকাঠি নাড়ছেন। দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক দুদিন আগে বলেছেন, নৌকার টিকিট নিয়ে এমপি হয়ে এখন নৌকার প্রার্থীকে হারাতে কাজ করছেন। এতে শামীম সাবধান হবেন কি না কে জানে! তবে একই ইঙ্গিত দিয়ে তিনি স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী তৈমুর সম্পর্কে আজ (রবিবার) বলেছেন, বিএনপির তালাকপ্রাপ্ত তৈমূর আলম খন্দকার এখন বন্য হাতিতে পরিণত হয়েছেন। তিনি ঘুঘু দেখেছেন, ঘুঘুর ফাঁদ দেখেননি। তাকে কেউ ভোট দেবেন না। নানক আরো বলেন, তৈমূর আলম দাবি করেন, তৈমুর বিএনপির না, তাহলে তিনি কে?

অর্থাৎ পর্দার আড়ালের খেলা থেকে তাকেও বিরত থাকতে বলছেন নানক।

এসব কথার জবাবে বিএনপি শিবির থেকে কেউ কিছু বলতে পারছেন না। কারণ, সেই পুরনো কথা- তৈমুর আলম তো স্বতন্ত্র প্রার্থী। 

আগামী ১৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) নির্বাচন। দেখা যাক রাজনৈতিক জটিল দাবার চাল আর ভোটারদের পছন্দ কোন রায় দেয়।

এবার কে হবেন নারায়ণগঞ্জের সিটি মেয়র তা জানার জন্য আপাতত আরও কয়দিন অপেক্ষা করতে হবে। আমাদের আশা, এই নির্বাচন হবে রক্তপাত ও সংঘর্ষবিহীন যেখানে আসলে জিতবে গণতান্ত্রিক রাজনীতি এবং সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়া।

দিনবদলবিডি/একে

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়