বৃহস্পতিবার

২২ অক্টোবর ২০২০


৬ কার্তিক ১৪২৭,

০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

দিন বদল বাংলাদেশ

রবিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট সেবা

ঝুলন্ত তার অপসারণের প্রতিবাদে অনড় আইএসপিএবি ও কোয়াব

নিজস্ব প্রতিনিধি || দিনবদল.কম

প্রকাশিত: ১৪:১৭, ১৬ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৫:৪৪, ১৬ অক্টোবর ২০২০
রবিবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট সেবা

সংগৃহীত ছবি

সারাদেশে রোববার থেকে প্রতিদিন তিন ঘণ্টা ইন্টারনেট ও কেব্‌ল টিভি (ডিশ) সংযোগ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে আইএসপিএবি ও কোয়াব। ঝুলন্ত কেব্‌ল (তার) অপসারণের প্রতিবাদে তারা এ সিদ্ধান্তে এখনো অনড়।

এরইমধ্যে বিভিন্ন এলাকার ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকদের মুঠোফোনে এসএমএস ও ই-মেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দিচ্ছে। যেমন- গ্রাহকদের ই-মেইল পাঠিয়ে লিংক-৩ টেকনোলজি জানিয়েছে যে, ১৮ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকবে।

সত্যিই যদি কেবল অপারেটরেরা এ ধর্মঘট সফল করেন, তাহলে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম স্থবির হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে করোনাকালে অনেক কিছুই এখন ইন্টারনেটের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। শুধু অর্থনীতি নয়, শিক্ষাসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রমও আটকে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। দেশের দুই শেয়ারবাজারের লেনদেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এমনকি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যক্রমও হতে পারে বাধাগ্রস্ত। নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট না পেলে বন্ধ থাকবে এটিএম সেবাও। এতে শত শত কোটি টাকা লোকসানের আশঙ্কা করছেন প্রযুক্তিবিদরা।

গত ১০ আগস্ট ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ফজলে নূর তাপস, ডিসেম্বরের মধ্যে দক্ষিণ সিটিকে তারের জঞ্জালমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। যার অংশ হিসেবে ঢাকা দক্ষিণের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঝুলে থাকা বাড়তি তার কেটে ফেলার উদ্যোগ নেয়। এর অংশ হিসেবে অনেক জায়গায় তার কেটে ফেলা হচ্ছে।

এবিষয়ে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)- এর পরিচালক নাজমুল করিম ভূঁইয়া বলেন, আমরা ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়ার পক্ষে নই। তবে সিটি কর্পোরেশন বলছে যে বিকল্প ব্যবস্থা আমাদের করে নিতে হবে। তবে ঢাকা শহরে এই ধরনের কোনো বিকল্প ব্যবস্থা নেই। যার কারণে এই প্রতিবাদ।

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার বাসিন্দা ফারহানা মাহবুব। তিনি একজন চাকরিজীবী। সেই সঙ্গে তার দুটি স্কুল পড়ুয়া সন্তান রয়েছে। তিনি জানান, করোনাভাইরাসের কারণে একদিকে সন্তানদের স্কুলের ক্লাস চলছে অনলাইনে। আর সেই সঙ্গে নিজেকেও বাড়িতে থেকে অফিস করতে হয়। ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে তাকে বিপদে পড়তে হয়।

তবে ঢাকা উত্তরের মেয়র সেবাদাতাদের সঙ্গে আলোচনা করে একেকটি এলাকা বা সড়ক নির্ধারণ করে পর্যায়ক্রমে সেখানকার ঝুলন্ত তার অপসারণ করছে। উত্তরে ইতোমধ্যে উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের কয়েকটি সড়ক ও গুলশান অ্যাভিনিউ সড়কের দুই পাশের ঝুলন্ত কেব্‌ল অপসারণ করা হয়েছে।

এদিকে, ১৭ অক্টোবরের মধ্যে চলমান সমস্যা সমাধানের জন্য দুই সিটি কর্পোরেশনকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, ইন্টারনেট ও ডিস সেবা প্রদানকারী সংগঠনের নেতারা।

দিনবদল বিডি/জিএ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়