বুধবার

০২ ডিসেম্বর ২০২০


১৭ অগ্রাহায়ণ ১৪২৭,

১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

দিন বদল বাংলাদেশ

বসল ৩৮তম স্প্যান, পদ্মাসেতুর দৈর্ঘ্য ছুঁয়েছে মাওয়া প্রান্ত

মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা || দিনবদলবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:৩৯, ২১ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ২১:৪৯, ২১ নভেম্বর ২০২০
বসল ৩৮তম স্প্যান, পদ্মাসেতুর দৈর্ঘ্য ছুঁয়েছে মাওয়া প্রান্ত

সংগৃহীত ছবি

শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্ত থেকে তিন বছর আগে পদ্মাসেতুর স্প্যান যুক্ত হওয়া শুরু হয়েছিল। আজ (শনিবার) বসানো হলো ৩৮তম স্প্যান, দৃশ্যমান হয়েছে পৌনে ৬ কিলোমিটার। এর মাধ্যমে পদ্মাসেতুর দৈর্ঘ্য ছুঁয়েছে মাওয়া প্রান্ত।

৩৮তম স্প্যানটি ‘ওয়ান-এ’। মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের ১ ও ২ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয় স্প্যানটি। সর্বশেষ তিনটি স্প্যান বসবে ডিসেম্বরের মধ্যেই।

এর আগে গত ১২ নভেম্বর মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তের ৯ ও ১০ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয় ৩৭তম স্প্যান। বাকি ৪টি স্প্যানের মধ্যে একটি বসল আজ।

সবচেয়ে শুরুর স্প্যান হলেও এত দেরিতে এটি বসার কারণ, ইংরেজি ‘এইচ’ বর্ণমালা আকৃতির পদ্মাসেতুর প্রতিটি স্প্যানের ডিজাইন আলাদা। এ স্থানের স্প্যানটির যন্ত্রাংশ চীন থেকে এসেছে অনেক পরে। এছাড়া অনান্য পিলারের চেয়ে ১ নম্বর পিলারের গঠন সম্পূর্ণ ভিন্ন। সাধারণত অন্য পিলারগুলোতে ৬ থেকে ৭টি পাইল ব্যবহার করা হলেও শক্তিশালী এ পিলারটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ১৬টি পাইল। এ পিলার দিয়েই সেতুতে গাড়ি ও ট্রেন প্রবেশ করবে।

তবে অন্য স্প্যানগুলো পানিতে বসানো হলেও ৩৮তম স্প্যানের একটি পিলার মাওয়া পাড়ে। মাটিতে পিলার থাকার কারণে স্প্যানটি নিয়ে ক্রেন আসার জন্য নদীপাড়ের বড় একটি অংশ কেটে ফেলতে হয়।

পদ্মাসেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী (মূল সেতু) দেওয়ান আব্দুল কাদের জানান, স্প্যানটি গত ১৬ নভেম্বর বসানোর পূর্ব সিডিউল ছিল। তবে নির্ধারিত দুটি পিলার একটি ডাঙায় (স্থলে) ও অপরটি নদীতে থাকায় ড্রেজিং করে পিয়ার দুটির মাঝের স্থানটি স্প্যানবাহী ভাসমান ক্রেনের চলাচলের উপযোগী করতে হয়। এরপর কারিগরি অন্যান্য খুঁটিনাটি যন্ত্রাংশ প্রস্তুত করতে আরো কয়েকদিন সময় লেগে যায়।’

মূল সেতু নির্মাণের কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। 

দিনবদলবিডি/এস

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়