জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব

মহাসড়কে কমেছে দূরপাল্লার বাস, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়

ভালুকা (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা || দিন বদল বাংলাদেশ

প্রকাশিতঃ বিকাল ০৪:২৩, শনিবার, ৬ আগস্ট, ২০২২, ২২ শ্রাবণ ১৪২৯
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বাসযাত্রী, আমন চাষিসহ সাধারণ মানুষের ওপর। সরকারি ঘোষণা ছাড়াই বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বাস ভাড়া। মধ্যরাতে তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই মহাসড়কের বাসচালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন বলে জানা যায়। আজ শনিবার (৬ আগস্ট) ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলাচলকারী একাধিক বাসচালক, হেলপার ও যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা যায়।

জানা যায়, আগে লোকাল বাসে ভালুকা থেকে ঢাকার মহাখালী পর্যন্ত যেতে বাস ভাড়া ছিল ১০০ টাকা বা তার কিছু বেশি। তেলের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় এখন ভালুকা থেকে মহাখালী যেতে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ২০০ টাকা। তা ছাড়া ভালুকা থেকে সিডস্টোর পর্যন্ত যেতে ভাড়া ছিল ১০ টাকা। এখন নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা। ভালুকা থেকে মাস্টারবাড়ী পর্যন্ত ভাড়া ছিল ২০ টাকা, এখন নেওয়া হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা। ভালুকা থেকে ময়মনসিংহের ভাড়া ছিল ৫০ টাকা। এখন আদায় করা হচ্ছে ১০০ টাকা।

পাশাপশি, মহাসড়কে দূরপাল্লার বাসের সংখ্যাও কমেছে অনেক। ফলে যাত্রীদের বেশি ভাড়া দিয়েই গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। অন্যদিকে তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে কৃষকসহ সাধারণ মানুষের ওপর।

ঢাকা যাওয়ার জন্য ভালুকা বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য অপেক্ষমাণ আতিকুল ইসলাম ও আবদুল কাদিরসহ একাধিক যাত্রী জানান, আগে তারা ১০০ বা তার কিছু বেশি ভাড়ায় ভালুকা থেকে ঢাকায় যেতে পারতেন। এখন ভাড়া চাওয়া হচ্ছে ২০০ টাকা। রাস্তায় বাসও কম। তাই সবাই পড়েছেন চরম। এখন উপায়ান্ত না থাকায় বাধ্য হয়েই ২০০ টাকা ভাড়ায় তাদেরকে ঢাকায় যেতে হবে।

এ বিষয়ে কথা হলে একাধিক চালক জানান, তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে তাদের গাড়ির জ্বালানি খরচ অনেক বেশি বেড়েছে। কাজেই সরকারি নির্দেশনা ছাড়াই তারা বেশি ভাড়া নিচ্ছেন। তবে যাত্রীরা বেশি ভাড়া দিতে চাচ্ছে না।

আলমগীর হোসেন নামে এক সংবাদকর্মী জানান, সংবাদের প্রয়োজনে তাকে আজ অনেকটা সময় ভালুকা বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করতে হচ্ছে। তার দৃষ্টিতে আজ (শনিবার) মহাসড়কে দূরপাল্লার গাড়ি সংখ্যা অনেক কম।

আলাল উদ্দিন নামের এক কৃষক জানান, হঠাৎ করে তেলের দাম বৃদ্ধিতে কৃষকরা সমস্যায় পড়েছেন। ট্রাক্টর দিয়ে আগে যে জমি এক হাজার টাকায় চাষ করানো যেত, এখন সেই জমি চাষে দুই হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে। এতে কৃষকরা পড়েছেন বিপাকে। চরম হতাশাও বিরাজ করছে তার মতো কৃষকদের মাঝে।

দিনবদলবিডি/এইচএআর

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়